News logo
Sunday 8th December 2019

মুক্তিযুদ্ধের ঘাতকদের সঙ্গে সরকার ও দলের বিরুদ্ধে শহীদ পরিবারের সন্তান ! মন্তব্য প্রতিবেদন



জুলাই ২৫, ২০১৭ | ১৬:৩৭:০১

মন্তব্য প্রতিবেদন

 

:এম এ মোহিত: হা আপনি বলেছেন আপনি শহীদ পরিবারের সন্তান।মৌলভীবাজারে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আপনার পরিবারের সদস্য দেশের স্বধীনতা বিরোধী আলবদর রাজাকারের হাতে শহীদ হয়েছেন। দেশের জন্য দলের জন্য আপনার পরিবারের অবদান আছে। তাদের সে অবদানকে পুজিঁ করে আপনি এখন দলের নেতা হয়েছেন। দলের বড় বড় পদ ভাগিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু এমনটি কি একবারও ভেবেছেন যে, আপনার পরিবারের সদস্য শহীদের রক্তের সঙ্গে আপনি প্রতারণা করেছেন এবং মুক্তিযুদ্ধের ঘাতকদের ধুসরদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে এক কতারে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। যাঁদের জীবন দিয়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। যাদের ষড়যন্ত্রের কারণে আপনার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে লাখ বাঙালী প্রাণ দিয়েছে। তাদের সঙ্গে আপনি এক কাতারে দাঁড়িয়েছেন সরকার ও দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। এই কর্মসূচিতে যাওয়া এবং বক্তব্য দেয়া কি আপনার জন্য খুবই জরুরি ছিল। সব কিছু বাদ দিয়ে আপনার পরিবারের শহীদদের কথা একবারও ভাবলেন না। এই দেশের শত্রু। জনগণের শত্রু। এমনকি আপনার দলেও প্রকাশ্যে শত্রু ওরা। তা জেনে শুনে আপনি তাদের সঙ্গে গেলেন কোন স্বার্থে ? তাই আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক আওয়ায়ামীলীগের সংসদ সদস্য প্রার্থী,আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী,এবং মৌলভীবাজার জেলা ও সিলেট বিভাগে দলের দায়িত্বে যাঁরা আছেন তাঁদের প্রতি দলের তৃণমূলের নেতাকর্দীদের দাবি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সারা দিয়ে তাঁর নির্দেশ মোতাবেক দলে ঘাপটি মেরে থাকাদের চিহ্নিত করুন। এবং তাদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গঠনতান্ত্রীক ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানাই। আর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের তো প্রায় প্রতিদিনই বলছেন দলে ঘাপটি মেরে থাকা হাইব্রিড নেতা ও অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। এজন্য জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের নেতাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আমার এই লেখার মধ্যদিয়ে আমি কারো বিপক্ষে অবস্থান নেয়া নয়। সঠিক তথ্য গুলো তুলে ধরাই আমার প্রয়াস। কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাবার এই বলে শতর্ক করে দিচ্ছেন দলের নেতাদের“কোড” ‘আপনারা আওয়ামীলীগকে আওয়ামীলীগের বিপক্ষে দাঁড় করাবেন না’। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানে সারা দিয়ে দলের বিরুদ্ধে অবস্থানকারি দলের লোকদের বিরুদ্ধে এখনই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে এর খেসারত দল ও গণতান্ত্রীক সরকারকে দিতে হবে। তাই বলি সাধু সাবধান। যারা শহীদদের নাম ভাঙ্গিয়ে দলের বিরুদ্ধে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে কি সিদ্ধান্ত নেবেন তা আপনাদের বিবেচ্য বিষয়। আমি শুধু কতিপয় সুবিধাভোগী নেতার অবস্থান তুলে ধরলাম।

বি:দ্র: এর আগে এ বিষয়ে আরো দুটি লেখা প্রচার হয়েছে এই লেখাটি তৃতীয় কিস্তি—।

এম এ মোহিত

লেখক ও সাংবাদিক

মোবাইল:-+৮৮০১৭১১৩৯৭০১২

Email-mamuhit2009@gmail.com  M.A.Muhit/Facebook.com

Top