News logo
Wednesday 19th June 2019
“কিতা বা আইচোনি”

“কিতা বা আইচোনি”

হারুনুর রশীদ: “কিতা বা আইচোনি” ষাটোর্ধ বয়স। পেশায় ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক। শিল্পপতি না হলেও নিজ এলাকার হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র ধনপতিদের একজন। চেহারায় ডাকসাইটে আঁচ, প্রথম দর্শনে হঠাত করেই কেউ বুঝতে পারবে না বাঙ্গালী। কেতাদুরস্ত সাহেবিয়ানা ঢঙয়েই জীবন চলছে। স্বজ্জ্বন বন্ধুবতসল। এক সময় খুবই দাপট ছিল। এখনও যে নেই তা নয়। তবে সময়! সময়ের কাছে সবকিছুকেই হার মানতেই হয়। তুমি যেই হও, বয়সের একটি গোধূলি লগ্ন আছে। এই লগ্নে কোন কিছুতেই মন বসে না। শুধুই অতীত রোমন্থনে মানুষ ভালবাসে। আমিও সাংবাদিকতায় জড়িত বহু কাল যাবত। সেই সূত্রেই তার সাথে সখ্যতা। এখনও আছে। সে প্রায় চল্লিশ বছর আগের কথা। সাংবাদিকতা নিয়ে তার সাথে খুব প্রতিযোগীতা হতো। সে ছিল এবং এখনও আছে, দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি আর আমি ছিলাম ইত্তেফাকের প্রতিনিধি। প্রতিভোরে উঠে খবর নেয়ার চেষ্টা করতাম সে খবর সংগ্রহের জন্য কোনদিকে বের হয়েছে। আমাদের ওই প্রতিযোগিতা শুধুই সাংবাদিকতা নিয়ে ছিল। সামাজিকভাবে আমরা খুবই আপনজনের মত ছিলাম। তার পর ছন্দ পতন। আমাকে দেশ ছাড়তে হল। শুধু দেশ ছাড়াই নয়, এক সময় দেখলাম আমি প্রবাসী হয়ে গেছি। সে থেকেই যোগাযোগে ঘাটতি। দেখা সাক্ষাতের তো সুযোগই রইলনা। ফোনে কথা বলে কত আর চিড়ে ভিজানো যায়। লন্ডনের রয়েল ফ্রি হাসপাতালে ডাক্তারের নিরীক্ষাধীন সাংবাদিক আব্দুস সালাম। গত সপ্তাহে টেলিফোনে আলাপ। সে এসেছে লন্ডনে ছেলের কাছে একটু ঘুরবে বলে। ভাইও আছে, নিজের মেয়েও আছে এখানে। টাকা পয়সারও অভাব নেই। অতএব ঘোরাঘুরির সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু বিধি বাম! দু’দিন যেতে না যেতেই শারিরীক অসুস্থতা দেখা দিল। ঘোরাঘুরি সেভাবে করা যাবে না। একটি রোগ ধরা পড়েছে। চিকিতসা করাতে হবে। ডাক্তারও ধরা হয়েছে। এখন প্রয়োজন কাড়ি কাড়ি টাকা। এতোক্ষন বলছিলাম মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি খ্যাতিমান সাংবাদিক আব্দুস সালামের কথা। সালাম এসেছেন লন্ডনে ঘুরতে। রোগ ধরা পড়ায় চিকিতসার জন্য আমার নিকটস্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ সকালেই আব্দুল মান্নানের ফোন পেয়ে তাকে দেখতে গেলাম হাসপাতালে। দেখে মনে হলনা তিনি রোগী। দিব্যি, যৌবনের সেই মুচকি হাসি হেসে বললো-“কিতা বা আইচো নি
লেখক: সাংবাদিক লন্ডন প্রবাসী
Top