News logo
Wednesday 19th June 2019
বড়লেখায় অসদাচরনের জন ক্ষমা চাইলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক !

বড়লেখায় অসদাচরনের জন ক্ষমা চাইলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক !

আবদুর রব,বড়লেখা প্রতিনিধিঃ
বড়লেখার দক্ষিণভাগ এনসিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহীদুল ইসলাম অবশেষে অসদাচরনের জন্য স্কুল পরিচালনা কমিটির এক সদস্যের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন। গত সোমবার (২৬.১০.১৫) রাতে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমঝোতা বৈঠকে কমিটির সভাপতিসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে তিনি কৃতকর্মের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দক্ষিণভাগ এনসিএম উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য আলহাজ আব্দুল হক প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য পদে জরুরী ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রমের উদ্যোগ নিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অনুরুধ করেন। পরিচালনা কমিটির সভাপতির উপস্থিতিতে অফিস কক্ষে এ সংক্রান্ত কথাবার্তার একপর্যায়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহীদুল ইসলাম উত্তেজিত হয়ে আজবাজে কথা বলে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আলহাজ আব্দুল হকের সাথে চরম অসদাচরন করেন। এ ঘটনা সাধারন অভিভাবক ও সচেতন মহলে জানাজানি হলে এলাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মারাত্মক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বিশিষ্ট জনের মধ্যস্থতায় সোমবার রাতে প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ আব্দুল মুকিত লুলু, অভিভাবক সদস্য আলহাজ ছয়েফ উদ্দিন রেনু, আলহাজ আব্দুল হক, আব্দুল বাছিত, ডা. বিরেন্দ্র চন্দ্র দাস, সমাজসেবক আব্দুস শহীদ মুক্তা, মাহমুদুর রহমান মাখন, আব্দুল হাদি, ইউপি মেম্বার ইকবাল হোসেন, ব্যবসায়ী সামছুল হকের উপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অভিভাবক সদস্যের সাথে অসদাচরনের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। অভিভাবক সদস্য আলহাজ আব্দুল হক জানান, নিয়োগ কার্যক্রম বানচাল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যমুলকভাবে তার সাথে অসদাচরন করেন। তবে স্কুল কমিটির সভাপতিসহ বিশিষ্ট জনের মধ্যস্থতায় অসদাচরনের জন্য ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহীদুল ইসলাম তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ায় তিনি বিষয়টির ছাড় দিয়েছেন।
উল্লেখ্য ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহীদুল ইসলাম প্রধান শিক্ষকের চেয়ার দখলে রাখতে ইতিপূর্বে স্কুল পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অনিল চন্দ্র দাস, সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আজির উদ্দিন, সহকারী শিক্ষক (বর্তমানে অবসরে) কামরুল হুদা চৌধুরী, রনজয় কুমার দাস, অফিস সহকারী সুভাষ চন্দ্র নাথসহ অনেকের সাথে অসদাচরন করেন।

Top