ব্রেকিং নিউজ
মাননীয় অর্থমন্ত্রী আপনার কথা কেউ শুনছে বলে মনে হচ্ছে না: মন্তব্য প্রতিবেদন

মাননীয় অর্থমন্ত্রী আপনার কথা কেউ শুনছে বলে মনে হচ্ছে না: মন্তব্য প্রতিবেদন

এম এ মোহিত:

মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আবদুল মুহিত মহোদয় আপনি ক্ষমতার র্শীষে থাকার পরও আপনার কথা কেউ শুনছে না কেন? আপনি বললেন, ‘সাংবাদিকদের বেতন বেশি, ওয়েজ বোর্ডের দরকার নেই’-এর পর দিনই মন্ত্রী পরিষদের এক প্রভাভশালী সদস্য সেতুমন্ত্রী ও  আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদের বললেন, আপনার এই কথাটি নাকি ব্যক্তিগত দলের বা মন্ত্রী পরিষদের নয়। তিনি আরো বললেন, নবম ওয়েজবোর্ড গঠনের কাজ নাকি আশি ভাগ শেষ হয়ে গেছে। এবং এটি নাকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তদারকি করছেন। তাছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব ইকবাল সোবহান চৌধুরীও বললেন প্রায় একই কথা। এতে আপনার কথায় হতাশ হওয়া সংবাদকর্মীরা আশার আলো দেখছেন এবং খুশি হয়েছেন। আপনি অতিকথনে ইদানিং অনেক বেফাঁস কথা বলেন যার অনেক গুলোই আপনার সহকর্মীরাও মেনে নেন না। এটি আপনার জন্য সুসংবাদ নয়। দেশে-বিদেশে সমাজে অনেক ক্ষেত্রে মুরব্বিদের কথা মানুষ অনেক সময় মেনে নেয়। কিন্তু আপনার কথা মানছে না কেন। জীবণ সায়ান্নে এসে যদি আপনার এই অবস্থা হয় তা কিন্তু সুসংবাদ নয়। আপানী এর আগে শেয়ারবাজার কেলেংকারির সুরাহা করতে পারেননি। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বিসয়টিও সমাধাণ করতে পারেননি বরং এ প্রসঙ্গে আপনি বলেছেন চুরি হওয়া টাকা গুলো সামান্য টাকা। আমার প্রথম পর্বের লেখায় কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়ে ছিলাম অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে সেগুলো সম্পন্ন করা আপনার পক্ষে সম্ভব নয়। সিলেটে আপনার বাড়ি এবং পাশ্ববর্তী জেলা মৌলভীবাজারে আপনার কয়েকজন ঘনিষ্ট আত্মীয়ের বাড়ি। সেখানে আপনি মাঝে মধ্যে আসেন। দাওয়াত খেয়ে ফিরে যান। কিন্তু আপনার মন্ত্রণালয়ের অধিনস্থ শেয়ারবাজার মার খাওয়ার পর অনেকেই পথে বসেছেন। আবার কিছু কিছু এজেন্ট সক্রিয় হয়ে প্রতারণার সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। অনেক শেয়ার ব্যবসায়ীর লাখ লাখ টাকা একাউন্টে পড়ে আছে। তারা দু:খে ও মনের জ্বালায় এ গুলোর খবর নেন না। কিন্তু এসব পরিত্যক্ত একাউন্টধারীর একাউন্টে পড়েছে ধুরন্ধর প্রতারকদের ঈগল চোখ। তারা সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ইস্যূ করা চেকের নামের অনুকূলে ব্যাংকে ভূয়া নামে একাউন্ট করে উঠিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এটি মৌলভীবাজার শহরের কেন্দ্রীয় সড়কের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠা দোকানে ঘাপটি মেরে বসে আছে এসব প্রতারক চক্রের সদস্যরা। এসব শুনে মনে হচ্ছে শুধু মৌলভীবাজারে নয় সারাদেশে হয়তো এরকম সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এসব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এখনই আইগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে আপনাকে। নতুবা শেয়ারবাজারে সর্বশান্ত হওয়া ব্যবসায়ীরা তাদের শেষ ভরসা আমানত টুকুও পাবে না। এই প্রতারক চক্রকে কঠোর ভাবে নজরদারিতে আনতে হবে।     ২য় কিস্তি -চলবে

 

লেখক, কলামিষ্ট

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি (সাবেক) অদুনালুপ্ত আজকের কাগজ।

সাবেক স্টাফ রিপোর্টার দৈনিক যুগান্তর।

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি এস এ টেলিভিশন।

ফোন:০১৭১১৩৯৭০১২

Email-mamuhit2009@gmail.com

Share This:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*