ব্রেকিং নিউজ
মাধবকুন্ডের অভ্যন্তরীণ রাস্তায় সৌন্দর্য্য বর্র্ধক বাগান সৃজন

মাধবকুন্ডের অভ্যন্তরীণ রাস্তায় সৌন্দর্য্য বর্র্ধক বাগান সৃজন

পর্যটক আকৃষ্ট ও পরিবেশ রক্ষায় ফরেস্টের উদ্যোগ

আব্দুর রব, বড়লেখা
দেশের প্রধান প্রাকৃতিক ঝর্ণা ও ইকোপার্ক মাধবকু-ের প্রতি দেশি-বিদেশী পর্যটক আকৃষ্ট ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বন বিভাগ মাধবকু-ের অভ্যন্তরীণ ৮ কিলোমিটার রাস্তার উভয় পাশে নানা বিলুপ্ত প্রজাতির ৫ হাজার ফুল জাতীয় দেশিয় গাছের চারা রোপন করেছে। সৌন্দর্য্য বর্ধক এ বাগান সৃজনে বন বিভাগের ব্যয় হয়েছে সাড়ে ৭ লাখ টাকা।
বন বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে কাঠালতলী হতে মাধবকু- পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সরু ও ভাঙ্গাচুরা রাস্তার সম্প্রসারণ ও সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার পর ভ্রমন পিপাসুদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে দীর্ঘ প্রায় ৮ বছরের দুর্ভোগ লাঘব হয়। বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম আবদুল্লাহ আল মামুনের পরামর্শে রেঞ্জ কর্মকর্তা কামরুল মোজাহীদ পর্যটক আকৃষ্টে ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অভ্যন্তরীণ রাস্তার উভয় পার্শে সৌন্দর্য্য বর্ধক বাগান সৃজনের একটি প্রকল্প গ্রহন করেন। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের জুন মাসে এ প্রকল্পের আওতায় দেশিয় বিলুপ্ত প্রজাতির নাগেশ্বর, সোনালু, বকুল, কামিনী, কাঞ্চন, হৈমন্তী, পলাশ, মহুয়া, কৃষ্ণচুড়া জাতীয় ফুলের ৫ হাজার চারা রোপন করা হয়।
সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে, এসব ফুল গাছের চারা খাচা অতিক্রম করে উপর দিকে উকি দিচ্ছে। এসব চারায় এলাকায় অন্যরকম পরিবেশ বিরাজ করছে। পর্যটকরাও আকৃষ্ট হচ্ছেন।
ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন দাস জানান, মানুষজন ও পশু পাখির জন্য অত্যন্ত উপকারী অনেক দেশিয় ফুল গাছ ইতিমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সৌন্দর্য্য ও পরিবেশের কথা বিবেচনা করে বন বিভাগ বাগান সৃজনের এ প্রকল্প হাতে নিয়ে বাস্তবায়ন করেছে। চারাগুলো বড় হলে এলাকায় সুগন্ধ ছড়াবে। মাধবকুন্ডে আগত পর্যটকরা আরো বেশি মুগ্ধ ও বিমোহিত হবেন।

Share This:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*