ব্রেকিং নিউজ
মখলিছুর রহমান ডিগ্রী কলেজের সমাবেশে সায়রা মহসীন এমপি

মখলিছুর রহমান ডিগ্রী কলেজের সমাবেশে সায়রা মহসীন এমপি

মোস্তাক চৌধুরী : স্বাধীনতার মহান স্পপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙ্গালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২ তম সাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় গতকাল বুধবার আলহাজ্ব মোঃ মখলিছুর রহমান ডিগ্রী কলেজে, ব্রিটিশ কমিউনিটি লিডার সেখানকার কয়েকবারের নির্বাচিত কাউন্সিলার, ব্রিটেন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি ও দানাবীর অত্র কলেজের প্রতিষ্ঠাতা জননন্দিত জননেতা আলহাজ্ব এম.এ.রহিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় রাজনগর মৌলভীবাজারের সংসদ প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রি এ জেলার মাটি ও মানুষের অভিসাংবাদিত জননেতা, ‘জনরাজ’ সৈয়দ মহসীন আলীর সহধর্মীনি সৈয়দা সায়রা মহসীন বলেন যে ব্যাক্তির জন্ম না হলে, এদেশ স্বাধীন হতো না, তিনি হলেন স্বাধীনতার স্থপতি সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ট বাঙ্গালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তিনিরই কন্যা ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপকার স্বাধীনচেতা জননেত্রী শেখ হাসিনা এ দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করেছেন। শত নির্যাতিত অপমান পিছনে রেখে এ দেশকে মধ্যে আয়ের দেশে পরিনত করেছেন। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে মাথা উচু করে দাঁড় করিয়েছেন। উক্ত আলোচনা সভায় অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলগের সিনিয়র সহ সভাপতি প্রবীন রাজনৈতিবিধ মোহাম্মদ ফিরোজ, বিশিষ্ট নাট্যকার সাবেক মৌলভীবাজার সরকারী করেজের ভি.পি জেলা আওয়ামলীগ নেতা “কবি আব্দুল মতিন”, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আনকার আহমেদ ওসি তদন্ত মৌলভীবাজার মডেল থানা নাজিম উদ্দিন, নাজিরাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সুলেমান আহমেদ, কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, শিক্ষক আবু সাঈদ, সাংবাদিক হোসেন আহমদ, আব্দুল্লা আল ফারুক অত্র কলেজের ছাত্র রুবেল আহমেদ প্রমুখ। এ জেলার সু-বক্তা নাট্যকার আব্দুল মতিন বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক সড়যন্ত্রের শিখার, আন্তর্জাতিক বলয়ের মাথা ব্যাথার কারন ছিলেন তিনি মার্কিন সামরাজ্য বাদের বিপক্ষে কথা বলেছিলেন বঙ্গবন্ধু, তিনি বলেছিলেন আমরা শোষনের পক্ষে নয়, শোষিতের পক্ষে, তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধু উপ-মহাদেশের অন্যতম নায়ক হয়ে উঠেছিলেন, এটা তারা মেনে নিতে পারেনি। তিনি সাধারন মানুষকে ভালবাসতেন, বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামকে মডেল গ্রামে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক বলয়ের কাছে কখনো মাথা নত করেনী। তাদের সাথে হাত মিলাননি, তাই তাদেরই সড়যন্ত্রের স্বীকার হলেন, আর বাংলাদেশী ঘাতকরা হলেন বলির পাটা। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন মৌলভীবাজারের মাটি ও মানুষের জননেতা প্রয়াত সমাজকল্যান মন্ত্রি বঙ্গবন্ধুর নীতি আদর্শকে সামনে নিয়ে, নিজেকে উজাড়া করে মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিয়ে গেছেন। টিক তেমনী বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী শিল্পপতি এম.এ.রহিম তিনির পথ ধরে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, তিনির রাজনৈতিক প্রজ্ঞা থেকে বললেন তিনি অনেক দুর অগিয়ে যাবেন।
বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরাগী দানবীর আলহাজ্ব এম এ রহিম বলেন একজন শেখ মুজিব সাহাদাত বরব করেছেন, তবে তার আদর্শ লক্ষ শেখ মুজিবের জন্ম হয়েছে, কলেজের ছাত্র/ছাত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন ২০০ বছর এ দেশকে ব্রিটিশরা শোষন করেছে, ২২ বছর পাকিস্তানী বেনিয়ারা শোষন করেছে, তারা এ দেশের কর্নফুলি কাগজ এখানে তৈরি করে, আর শীল দেওয়ার জন্য পশ্চিম পাকিস্তানে নেওয়া হতো, ওরা কিনতো চার আনা দিয়ে, আর আমরা কিনতার আট আনা দিয়ে। বাংলাদেশের উৎপাদিত কাগজ, সার, মেইল, ফেক্টরীতে উৎপাদিত মালামাল উৎপাদন হতো বাংলাদেশে আর শীল দিতে নিয়ে যেতো পশ্চিম পাকিস্তানে। বাংলাদেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানের আয় দিয়ে উন্নয়ন করা হতো পশ্চিম পাকিস্তানের।

আলহাজ্ব মোঃ মখলিছুর রহমান ডিগ্রী কলেজটি ২০১০ সালে মৌলভীবাজার জেলা থেকে ১৩/১৪ কিলোমিটার পশ্চিমে মৌলভীবাজার জেলার ও হবিগঞ্জ জেলার নবিগঞ্জ উপজেলা ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেষ সীমান্তে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নাজিরাবাদ ইউনিয়নের ইউসুফ পুর গ্রামের প্রতিষ্ঠা করেন আলহাজ্ব এম.এ.রহিম। অনুন্নত অনগ্রসর শিক্ষা বঞ্চিত এলাকায় শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার প্রয়াসে, এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু করেন মাত্র ৮৪ জন ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে। বর্তমানে কলেজে ছাত্র/ছাত্রী সংখ্যা ৪৫০ জন, শিক্ষক শিক্ষিকা রয়েছেন ১৫ জন। এ প্রতিষ্ঠানের সমুহ ব্যায়ভার বহন করছেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব এম.এ.রহিম কথাটি বলেন তিনির ছোট ভাই কলেজের দাতা সদস্য মুজিবুর রহমান। কলেজের অনুষ্ঠানে যাবো কি না সন্দেহ ছিল, জনতার রহিম ভাই অনুরোধ করলেন, অবশেষে আমার এক কলিক লন্ডন প্রবাসী কাজী নুরুল ইসলাম আমাকে সেখানে নিয়ে গেলেন। সেখানে গিয়ে রহিম ভাইর কর্মকান্ড দেখে সত্যিই খুব ভাল লেগেছে। বার বার আমি অধমের নাম, মাইকে রহিম ভাই বলে সত্যিই আমার ঋনের বুঝা বাড়িয়ে দিলেন।

Share This:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*