ব্রেকিং নিউজ
বড়লেখায় সেচ সুবিধায় এলো ৫০০ হেক্টর কৃষি জমি

বড়লেখায় সেচ সুবিধায় এলো ৫০০ হেক্টর কৃষি জমি

আব্দুর রব, বড়লেখা থেকে:
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় স্লুইচ গেইট, রেগুলেটর নির্মাণ ও খাল খননের মাধ্যমে ৫০০ হেক্টর কৃষি জমি সেচ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ায় সোমবার কৃষকদের নিয়ে গঠিত দেওছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির কাছে উপ-প্রকল্পের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে। এতে খাল খননসহ ব্যয় হয় প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা।
উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখার নিজ বাহাদুরপুর ও দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের খামারি খাল ও মুন্সীর খালের সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার এলাকা খনন করা হয়েছে। খাল দুটির তিনটি স্থানে স্লুইচ গেইট ও রেগুলেটর স্থাপন করা হয়েছে। দেওছড়া উপ-প্রকল্পের মাধ্যমে এই খাল খনন করায় দুটি ইউনিয়নের ৫০০ হেক্টর কৃষি জমি সেচ সুবিধার আওতায় এসেছে। এতে ধান ও সবজি চাষের পাশাপাশি মাছ চাষ কওে এলাকার কৃষকরা লাভবান হবেন। পানি সংরক্ষণ ও সেচ এলাকা বৃদ্ধি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন, মৎস্য ও হাঁস পালনে এলাকার কৃষকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে দাতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
কৃষকদের নিয়ে গঠিত পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি এমরানুল হক বাবুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সামছুল হকের পরিচালনায় উপ-প্রকল্পের দায়িত্ব হস্তান্তর সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ দাস, উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ ভূষন পাল, কৃষি কর্মকর্তা কুতুব উদ্দিন, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, এলজিইডি কমিউনিটি পার্টিসিপেশন কর্মকর্তা হেমন্ত কুমার।
বৃহত্তর ময়মনসিংহ, সিলেট ও ফরিদপুর এলাকায় ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের (জাইকা) আওতায় এ কাজটি ২০১৪ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে শুরু করে গত বছরের (২০১৫) ডিসেম্বর মাসে শেষ হয়। এতে খাল খননসহ ব্যয় হয় প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা।

Share This:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*