ব্রেকিং নিউজ
নাটোর লালপুরের সোহেল রানা পেয়ারা চাষ করে এখন স্বাবলম্বী

নাটোর লালপুরের সোহেল রানা পেয়ারা চাষ করে এখন স্বাবলম্বী

অমর ডি কস্তা, নাটোর
নাটোরের লালপুর উপজেলার চকনাজিপুর গ্রামের সোহেল রানা পেয়ারা চাষ করে এখন স্বাবলম্বী হয়েছে । সে উপজেলার চকনাজিপুর গ্রামের মৃত আসাদুজ্জামানের ছেলে। সোহেল রানা ২০১৩  সালের মার্চ মাসে নিজের মাত্র ২ বিঘা জমি নিয়ে পেয়ারা বাগানের চাষ শুরু করে। প্রথম বৎসরে তার ২ বিঘা পেয়ারা বাগানের জমিতে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা খরচ  হয়। প্রথম বছরে পেয়ারা  বাগানের চাষ করে কোন প্রকার মুনাফাই আসেনি। তবে সে নিরাশ না হয়ে দ্বিতীয় বছর পেয়ারা বাগানের পরিচর্যা আরও বাড়িয়ে দেয় এবং সে বছর সব খরচ বাদ দিয়ে পাইকারী বিক্রয় করে ২ লাখ টাকা লাভ হয়। এরপর আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে তার নিজের জমি ৮ বিঘা এবং লিজের জমি ৮৭ বিঘা। সে মোট ৯৫ বিঘা জমিতে পেয়ারা চাষ করছে । তার বাগানে পেয়ারা উঠানোর জন্য  দিন ৪০ থেকে ৫০ জন দিনমুজুর লাগে ।  বাগান থেকে প্রতি বিঘা জমিতে ৫০ থেকে ৬০ মন পেয়ারা উদপাদন হচ্ছে। বিঘা প্রতি পেয়ারা চাষ করতে ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়। সব খরচ বাদ দিয়ে বৎসর শেষে পেয়ারা বিক্রয় করে প্রতি বিঘা জমিতে ১ লাখ টাকা করে লাভ হচ্ছে। তাঁর পেয়ারা বাগানের চাষ দেখে এলাকার বেকার যুবকরা পেয়ারা চাষে এগিয়ে আসছে। সোহেল রানা এখন একজন সফল পেয়ারা চাষী ও আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী ।
এব্যপারে সোহেল রানা বলেন,  প্রথমে ২ বিঘা নিজের জমিতে পেয়ারা বাগানের চাষ করি । প্রথম বৎসরে কোন প্রকার মুনাফা পায়নি। মন খারাপ হয়ে যায়। ধৈর্য্য সহকারে পেয়ারা গাছের যতœ নিতে থাকি। পরের বছর গাছে খুব ভালো পেয়ারা ধরে। সব খরচ বাদ দিয়ে ২ লাখ টাকা আমার লাভ হয়। বর্তমানে আমার নিজের ৮ বিঘা ও লিজ  নেওয়া ৮৭ বিঘা জমি আছে। মোট জমির পরিমান ৯৫ বিঘা। খরচ বাদ দিয়ে আমার প্রতি বিঘা জমিতে ১ লাখ টাকা করে লাভ থাকে। আমি এখন একজন সফল পেয়ারা চাষী এবং আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী। এব্যপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুল ইসলাম খাঁন বলেন, সোহেল পেয়ারা চাষ প্রশংসনীয় উদ্দ্যোগ। পেয়ারা চাষ লাভজনক ফসল । তার পেয়ারা চাষ দেখে এলাকার বেকার যুবকরা পেয়ারা চাষে এগিয়ে আসছে । এতে এলাকায় বেকার সম্যসা দুর হচ্ছে । এলাকার হতদরিদ্র দিন মজুরেরাও এখানে কাজ করে স্বাচ্ছন্দ্যভাবে দিন যাপন করছে ।

Share This:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*