ব্রেকিং নিউজ
শক্তিশালি ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ, আতংক:ইন্টারনেট মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত

শক্তিশালি ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ, আতংক:ইন্টারনেট মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত

বাংলাকাগজটুয়েন্টিফোরডটকম ডেস্ক: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরণের শক্তিশালি আকারের ভূমি কম্প অনুভূত হয়েছে। সন্ধ্যা ৭ টা ৫৫ মিনিটে এ ভূমি কম্প অনুভূত হয়। পরপর ২ বার ঝাকুনি দিয়ে ভূমি কম্পের স্থায়ীত্ব ছিল প্রায় ২ মিনিট। এ রিপোর্ট লেখার শেষ সময় রাত ৮টা ৯মিনিটে কোথাও কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্প শুরু হওয়ার মুহূর্তে ঘর বাড়ি কেঁপে উঠে। তখন আতংকে বাসা বাড়িরর লোকজন নারী-পুরুষ ও শিশুরা ঘর থেকে দ্রুত বেরিয়ে রাস্তায় চলে যান। ভুমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মান্দলা। রিখটার স্কেলে ভুমি কম্পের  মাত্রা ছিল ৬.৯। ভুমিকম্প অনুভূত হয়েছে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জেও। বুধবার রাত ৭ টা ৫৫ মিনিটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউএসজিএসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মায়ানমারের ৭৪ কিমি দক্ষিণপূর্ব মাওলাই এলাকা। ভূমিকম্পে রাজধানীর বড় বড় ভবনগুলো দুলতে থাকলে আতঙ্ক দেখা দেয়।বুধবার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত সাতটা ৫৬ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ঢাকা থেকে ৪৬০ কিলোমিট‍ার দক্ষিণ-পূর্বে মায়ানমারের মাউলাইক শহরের ৭৪ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে ছিলো ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। স্থানটি বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন।

ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৩৪ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির কেন্দ্র বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)।  অবশ্য ভূমিকম্পের পরপরই এর মাত্রা ৭.২ বলে খবর পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে এর মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬.৯ বলে নিশ্চিত করে যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসজিএস।বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, উৎ​পত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২। ঢাকা থেকে ৪২০ কিলোমিটার পূর্ব দিকে মিয়ানমারে এর উৎ​পত্তিস্থল।

ভূমিকম্পের পরপরই সারাদেশে ইন্টারনেটসহ মোবাইল নেটওয়ার্ক সংযোগে বিঘ্ন দেখা দেয়। তবে অল্প সময়ের পরই মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানেও ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার খবর দিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যাম।

Share This:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*