ব্রেকিং নিউজ
‘আমি ইতিমধ্যে মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন নাফ নদীতে কিছুদিন মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি—প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

‘আমি ইতিমধ্যে মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন নাফ নদীতে কিছুদিন মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি—প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাকাগজটুয়ে্টিফোরডটকম :

মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি ইতিমধ্যে মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন নাফ নদীতে কিছুদিন মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি। কেননা, এখান থেকেই মাছ ধরা নৌকায় ইয়াবা-মাদক পাচার হয়। এ বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।’ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অসংক্রমণ ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ বিষয়ে ‘বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর এনসিডি কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এর একটি প্রতিনিধিদল তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
‘বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর এনসিডি কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এর সভাপতি এবং জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুল মালিক ১০ সদস্যের এ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার দেশে মাদক সেবন এবং মাদক ব্যবসা বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি রোগ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধের প্রতিও অধিক গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর এনসিডি কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের সদস্যরা সরকারের সঙ্গে নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ যেমন- হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং মানসিক রোগ নিরাময়ে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে। জাতীয় স্বাস্থ্য কাউন্সিলে এ বিষয়টি আলোচনার পরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, কাজী রফিকুল আলম, অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, অধ্যাপক কাজী দিন মোহাম্মদ, ডা. আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক মোল্লা ওবায়দুল্লাহ বাকী এবং অধ্যাপক একেএম মহিবুল্লাহ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন।
দুই প্রকল্পের নকশা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন : বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গৃহীত মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্প্রসারণের দুটি প্রকল্পের নকশা উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্প দুটি হল : সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর উন্নয়ন এবং সরকারি কলেজগুলোর বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্প এবং প্রস্তাবিত শেরেবাংলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ (নারী শিক্ষা মন্দির) এবং শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ সদর, গোপালগঞ্জ- শীর্ষক প্রকল্প। সকালে তার কার্যালয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেনটেশনের মাধ্যমে প্রকল্প দুটির নকশা উপস্থাপন করা হয়। প্রথমটি ৪ হাজার ৬৪০ কোটি টাকার এবং দ্বিতীয়টি এক হাজার ৮০৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকার। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা নকশা দুটি উপস্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী স্লাইড দেখেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা, উন্মুক্ত বারান্দা, জরুরি বহির্গমন পথ, ফায়ার অ্যালার্ম ইত্যাদির অবশ্যই ব্যবস্থা থাকা উচিত। এসব সতর্কতামূলক অ্যালার্ম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টয়লেটগুলোতেও থাকা উচিত বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ড. সুরাইয়া বেগম উপস্থিত ছিলেন।

Share This:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*